Friday, September 6 2019, 12:34 pm
latest News
Home / ভ্রমন / কলম্বিয়ার ‘রামধনু’ নদীর জলে সাত রঙা এক পাখি

কলম্বিয়ার ‘রামধনু’ নদীর জলে সাত রঙা এক পাখি

দেখে মনে হবে যেন রামধনু গলে বয়ে চলেছে। ৬২.১ মাইল লম্বা নদীর কোথাও টানা হলুদ রং, কোথাও লাল, কোথাও সবুজ, নীল, কোথাও আবার কালো। নদীর অসাধারণ এই রূপ চোখে পড়বে কলম্বিয়ার ম্যাকারেনা ন্যাশনাল পার্কে। সেখানে নজরকাড়া এই নদী ‘রিভার অফ ফাইভ কালার্স’ বা ‘গলে পড়া রামধনু’ নামেই খ্যাত।

জলের নীচের সামুদ্রিক গাছগুলির ফুলের সমাহারের কারণেই নদীর এই রঙিন রূপ। গাছগুলো যখন ফুলে ফুলে ভরে ওঠে, তখন নদীর রং উপচে পড়ে। আর সেই কারণেই, এই সৌন্দর্য্য উপভোগ করার আদর্শ সময় জুন থেকে নভেম্বর, যখন আবহাওয়া খুব বেশি গরমও নয়, ঠান্ডাও নয়।

কী কারণে এই রঙের বাহার?

জলের নীচের সামুদ্রিক গাছগুলির ফুলের সমাহারের কারণেই নদীর এই রঙিন রূপ। গাছগুলো যখন ফুলে ফুলে ভরে ওঠে, তখন নদীর রং উপচে পড়ে। আর সেই কারণেই, এই সৌন্দর্য্য উপভোগ করার আদর্শ সময় জুন থেকে নভেম্বর, যখন আবহাওয়া খুব বেশি গরমও নয়, ঠান্ডাও নয়। বর্ষার সময় নদীতে জল বেড়ে যায়, স্রোতও। আর সূর্যালোক নদীর তলদেশের গাছ অবধি পৌঁছয় না, ফলে ফুলও তেমন ফোটে না। আর অতিরিক্ত গরমে নদীর জল এতই কমে যায়, গাছগুলো পর্যাপ্ত জল পায় না। ফলে, জুন থেকে নভেম্বরই এই ন্যাশনাল পার্কে ভিড় জমান পর্যটকরা।

যত দিন যাচ্ছে, পর্যটকদের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ভয়, যত বেশি পর্যটক বাড়বে, জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি। তবে, কলম্বিয়ার পর্যটন বোর্ড এই নদী বাঁচাতে তৎপর। তারা পর্যটকের সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। দিনে ২০০-র বেশি পর্যটক ওই নদী দেখতে যেতে পারবেন না, তাও সাত জন করে দল বেঁধে। নদীর একাংশে পর্যটকদের সাঁতার কাটার সুযোগও রয়েছে, তবে সানস্ক্রিন লোশন বা কোনও ধরনের কীটনাশক স্প্রে লাগিয়ে নদীতে নামা যাবে না। স্পর্শকাতর এই গাছগুলি রাসায়নিকের সংস্পর্শে এলেই নেতিয়ে পড়ে। সেগুলোকে বাঁচাতেই এত কড়া নিয়ম-নীতি।
— সংবাদসংস্থা/এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক

Micro Web Technology

Check Also

এক লাখ পরিযায়ী পাখি বেশি এসেছে

শুধু শীতকালে দেশে পরিযায়ী পাখি আসে, এত দিন কম–বেশি সবাই এটাই জানত। কিন্তু নতুন এক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen − four =